April 7, 2026, 4:02 am

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজে আয়োজন করা হয়েছিল পিঠা উৎসব

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

mostbet
আজ রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও বাংলা সংস্কৃতির কে টিকিয়ে রাখতে পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজে আয়োজন করা হয়েছিল পিঠা উৎসব।
 শীত আসে। সেই সঙ্গে হাজির হয় পিঠা উৎসব। এ সময় টাটকা চালে তৈরি করা হয় বাহারি পিঠা পুলি। পিঠার সেই মৌ মৌ গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে মূলত ঋতুর প্রথম ভাগ থেকে। এ গেল দেশ–প্রাণের কথা। শহরে কিংবা প্রবাসেও নরনারীরাও এই আয়োজন থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে চান না। তারা ছেলেমেয়ে বা প্রিয়জনদের সামনে আনেন মুখরোচক সব পিঠা।
ঋতু রাজা বসন্ত কে সুস্বাগত জানিয়ে সাজে সজ্জিত হয়েছিল পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ  প্রাঙ্গন। নানা প্রকার আয়োজনে মুখরিত কলেজ পড়াঙ্গন। আয়োজন করা হয়েছিল পিঠা উৎসব।পিঠা উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছিল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও বাংলা সংস্কৃতির সাথে মিশে থাকা নানান ধরনের পিঠা।  অধিবকাংশই বর্তমানে হারিয়ে যেতে বসেছে। দিনব্যাপী এ বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে পিরোজপুরে  সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ শিক্ষক পরিষদ ও কলেজ ছাত্র সংসদ ।
এ উপলক্ষে সরকারী সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাম কবির। এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মুজিবর রহমান বাবুল, জেলা উদীচী সভাপতি এ্যাডভোকেট এম এ মান্নান, পরে বসন্ত বরণ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষার্থীসহ বাহিরের শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করে।
কলেজ শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংসদের অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া সম্পাদক শিবলী রহমান শুভ জানান, এ আয়োজনটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে পিঠা উৎসবে দেশের ঐতিহ্যবাহী অনেক ধরনের পিঠা প্রদর্শিত হয়েছে। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও বাংলা সংস্কৃতির সাথে মিশে থাকা এ সব পিঠা বর্তমানে হারিয়ে যেতে বসেছে।
পিঠা উৎসবে কলেজের ১৪টি বিভাগ অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি স্টলে বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন পিঠার পসড়া দেখা যায়।  হারিয়ে যাওয়া পিঠা-পুলি উৎসবকে ব্যাপক  ভাবে সাড়া দেয়  নতুন প্রজন্মের।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০/ইকবাল
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর